সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

শ্রী শ্রী কৃষ্ণের অষ্টোত্তর শতনাম। /(সম্পূর্ণ বাংলা) / বাংলায় শ্রী কৃষ্ণের অষ্টোত্তর শতনাম

  

   শ্রী শ্রী কৃষ্ণের অষ্টোত্তর শতনাম। 

                 নারায়ণের প্রণাম
ॐ নমো ব্রহ্মণ্যদেবায় গো- ব্রাহ্মণহিতায় চ। 
জগদ্ধিতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমো নমঃ।। 
পাপো অহং পাপকর্মাহং পাপাত্মা পাপসম্ভবঃ। 
ত্রাহি মাং পুণ্ডরীকাক্ষং সর্ব্ব পাপহরো হরিণ।। 
     

 

              শ্রী কৃষ্ণের প্রণাম

 কৃষ্ণায় বাসুদেবায় দৈবকী নন্দনায় চ। 
অশেষ ক্লেশনাশায় গোবিন্দায় নমো নমঃ।। 
হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধো দীনবন্ধো জগৎপতে।
গোপেশ গোপীকাকান্ত রাধাকান্ত নমো অস্তুতে।। 

 


শ্রীনন্দ রাখিল নাম নন্দের নন্দন। (1)
যশোদা রাখিল নাম যদু বাছাধন। (2)
উপানন্দ নাম রাখে সুন্দর গোপাল(3)
ব্রজবালক নাম রাখে ঠাকুর রাখাল। (4)
সুবল রাখিল নাম ঠাকুর কানাই। (5)
শ্রীদাম রাখিল নাম রাখাল রাজা ভাই (6)
ননীচোরা নাম রাখে যতেক গোপিনী (7)
কালোসোনা নাম রাখে রাধা বিনোদিনী (8)
কুব্জা রাখিল নাম পতিত পাবন হরি। (9)
চন্দ্রাবলী নাম রাখে মোহন বংশী ধারী (10)
অনন্ত রাখিল নাম অন্ত না পাইয়া (11)।
কৃষ্ণ নাম রাখে গর্গ ধ্যানেতে জানিয়া (12)।
কণ্বমুনি নাম রাখে দেবচক্রপাণি (13)।
বনমালী নাম রাখে বনের হরিণী। (14)।
গছহস্তী রাখে নাম শ্রীমধুসূদন (15)।
অজামিল নাম রাখে দেব নারায়ণ (16)।
পুরন্দর নাম রাখে দেব শ্রী গোবিন্দ (17)।
দ্রৌপদী রাখিল নাম দেব দীনবন্ধু (18)।
সুদাম রাখিল নাম দারিদ্র্য ভঞ্জন (19)।
ব্রজবাসী নাম রাখে ব্রজের জীবন (20)।
দর্পহারী নাম রাখে অর্জুন সুধীর (21)।
পশুপতি নাম রাখে গরুড় মহাবীর (22)।
যুধিষ্ঠির নাম রাখে দেব যদুবর (23)।
বিদুর রাখিল নাম কাঙ্গাল ঈশ্বর (24)।
বাসুকি রাখিল নাম দেব সৃষ্টি স্থিতি। (25)।
ধ্রুবলোকে নাম রাখে ধ্রুবের সারথি (26)।
নারদ রাখিল নাম ভক্ত প্রাণধন (27)।
ভীষ্মদেব নাম রাখে লক্ষ্মী নারায়ণ (28)।
সত্যভামা নাম রাখে সত্যের সারথি (29)।
জাম্ববতী নাম রাখে দেব যোদ্ধাপতি (30)।
বিশ্বামিত্র নাম রাখে সংসারের সার (31)।
অহল্যা রাখিল নাম পাষাণ উদ্ধার (32)।
ভৃগুমুনি নাম রাখে জগতের হরি (33)।
পঞ্চমুখে হরিনাম গান ত্রিপুরারি (34)।
কুঞ্জকেশী নাম রাখে বলী সদাচারী (35)।
প্রহ্লাদ রাখিল নাম নৃসিংহ মুরারি (36)।
বশিষ্ঠ রাখিল নাম মুনি মনোহর (37)।
বিশ্বাবসু নাম রাখে নবজলধর (38)।
সম্বর্ত্তক রাখে নাম গোবর্ধনধারী (39)।
প্রাণপতি নাম রাখে যত ব্রজনারী(40)।
অদিতি রাখিল নাম অরাতি সূদন (41)।
গদাধর নাম রাখে যমল অর্জুন (42)।
মহাযোদ্ধা নাম রাখে ভীম মহাবল (43)
দয়ানিধি রাখে নাম দরিদ্র সকল (44)
বৃন্দাবন চন্দ্র নাম রাখে বৃন্দাদূতী(45)
বিরজা রাখিল নাম যমুনার পতি (46)
বাণীপতি নাম রাখে গুরু বৃহস্পতি (47)
লক্ষ্মীপতি রাখে নাম সুমন্ত্র সারথি (48)
সন্দীপনি নাম রাখে দেব অন্তর্য্যামী। (49)
পরাশর নাম রাখে ত্রিলোকের স্বামী (50)
পদ্মযোনি নাম রাখে অনাদির আদি (51)
নট -নারায়ণ নাম রাখিল সম্বাদি (52)
হরেকৃষ্ণ নাম রাখে প্রিয় বলরাম (53)
ললিতা রাখিল নাম দুর্বাদল শ্যাম (54)।
বিশাখা রাখিল নাম অনঙ্গমোহন (55)
সুচিত্রা রাখিল নাম শ্রীবংশীবদন (56)
আয়ান রাখিল নাম ক্রোধ নিবারণ (57)
চণ্ডকেশী নাম রাখে কৃতান্ত শাসন (58)
জ্যোতিষ্ক রাখিল নাম নীলকান্তমণি (59)
গোপীকান্ত নাম রাখে সুদাম ঘরনী (60)
ভক্তগণ নাম রাখে দেব জগন্নাথ (61)
দুর্ব্বাসা রাখেন নাম অনাথের নাথ (62)
রাসেশ্বর নাম রাখে যতেক মালিনী (63)
সর্ব্বযঞ্জেশ্বর নাম রাখেন শিবানী (64)
উদ্ধব রাখিল নাম মিত্র  হিতকারী (65)
অক্রূর রাখিল নাম ভব ভয়হারী (66)
গুঞ্জমালী নাম রাখে নীল পীতবাস (67)
সর্ব্ববেত্তা নাম রাখে দ্বৈপায়ণ ব্যাস (68)
অষ্টসখী নাম রাখে ব্রজের ঈশ্বর (69)
সুরলোক রাখে নাম অখিলের সার (70)

বৃষভানু নাম রাখে পরম ঈশ্বর (71)
স্বর্গবাসী নাম রাখে দেব পরাৎপর(72)
পুলোমা রাখিল নাম অনাথের সখা(73)
রসসিন্ধু নাম রাখে সখী চিত্রলেখা (74)
চিত্ররথ নাম রাখে অরাতি দমন (75)
পুলস্ত্য রাখিল নাম নয়ন রঞ্জন (76)
কশ্যপ রাখিল নাম রাস রাসেশ্বর (77)
ভাণ্ডারীক নাম রাখে পূর্ণ শশধর(78)
সুমালী রাখিল নাম পুরুষ প্রধান (79)
পুরঞ্জন নাম রাখে ভক্তগণ প্রাণ (80)
রজকিনী নাম রাখে নন্দের দুলাল (81)
আহ্লাদিনী নাম রাখে ব্রজের গোপাল (82)
দৈবকী রাখিল নাম নয়নের মণি(83)
জ্যোতির্ময় নাম রাখে যাঞ্জবল্ক্য মুনি(84)
অত্রিমুনি নাম রাখেন কোটি চন্দ্রেশ্বর(85)
গৌতম রাখিল নাম দেব বিশ্বম্ভর (86)
মরীচি রাখিল নাম অচিন্ত্য অচ্যুত (87)
জ্ঞানাতীত রাখে নাম শৌনকাদি সুত(88)
রুদ্রগণ নাম রাখে দেব মহাকাল(89)
বসুগণ নাম রাখে ঠাকুর দয়াল (90)
সিদ্ধগণ নাম রাখে পুতনা নাশন (91)
সিদ্ধার্থ রাখিল নাম কপিল তপোধন (92)
ভাণ্ডারী রাখিল নাম অগতির গতি(93)
মৎস্যগন্ধা নাম রাখে ত্রিলোকের পতি (94)
শুকরাচার্য্য নাম রাখে অখিল বান্ধব (95)
বিষ্ণুলোকে নাম রাখে দেব শ্রীমাধব (96)
যদুগণ রাখে নাম যদুকুলপতি (97)
অশ্বিনীকুমার নাম রাখে সৃষ্টি স্থিতি (98)
অর্য্যমা রাখিল নাম কাল নিবারণ (99)
সত্যবতী নাম রাখে অজ্ঞান নাশন (100)

পদ্মাক্ষ রাখিল নাম ভ্রমর ভ্রমরী (101)
ত্রিভঙ্গ রাখিল নাম যত সহচরী (102)
বঙ্কচন্দ্র নাম রাখে শ্রীরূপ মঞ্জরী(103)
মাধুরী রাখিল নাম গোপ মনোহারী (104)
মঞ্জুমালী নাম রাখে অভীষ্ট পূরণ (105)
কুটিলা রাখিল নাম মদন মোহন (106)
মঞ্জরী রাখিল নাম কর্ম্মবন্ধনাশ (107)
ব্রজবধূ নাম রাখে পূর্ণ অভিলাষ (108)

সমাপ্ত !


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

মনুসংহিতা সপ্তম অধ্যায়-বাংলা pdf / মনুস্মৃতি pdf

                                মনুসংহিতা                               সপ্তম অধ্যায়                            (রাজধর্ম ) রাজধর্মান্ প্রবক্ষ্যামি  যথাবৃত্তো ভবেন্নৃপঃ।  সম্ভবশ্চ যথা তস্য সিদ্ধিশ্চ পরমা যথা।। (1) বঙ্গানুবাদ- আমি তথা গ্রন্থকার এখন রাজধর্ম বর্ণনা করব- রাজা যেভাবে আচরণ করবেন, তাঁর উৎপত্তি যেভাবে হয়েছে এবং রাজকার্যে তাঁর উৎপত্তি সিদ্ধি যেভাবে হয় তাও বর্ণনা করব। ব্রাহ্মং প্রাপ্তেন সংস্কারং ক্ষত্রিয়েণ যথাবিধি।  সর্বস্যাস্য যথান্যায়ং কর্তব্যং পরিরক্ষণম্।।(2) বঙ্গানুবাদ- যথাবিধি উপনয়নরূপ বৈদিক সংস্কার প্রাপ্ত হয়ে রাজা ধর্মশাস্ত্রোক্ত নিয়ম অনুসারে সমস্ত প্রজাকে পরিপালন করবেন।  অরাজকে হি লোকে হ স্মিন্ সর্বতো বিদ্রুতে ভয়াৎ। রক্ষার্থমস্য সর্বস্য রাজানমসৃজৎ প্রভুঃ।।(3) বঙ্গানুবাদ-রাজশুন্য এই জগতে চারদিকে সকলে উৎপীড়িত হলে,  সমগ্র বিশ্বব্র...

মনুসংহিতার সপ্তমাধ্যায়ের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

1.মনুসংহিতা কি ধরনেের রচনা? উ: মনুসংহিতা স্মৃতিশাস্ত্র বা ধর্মশাস্ত্র।   2.মনুসংহিতার সপ্তমাধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কি?   উ: মনুসংহিতার  সপ্তমাধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়- রাজার রাজধর্ম তথা  "রাজধর্ম"। 3.  মনুসংহিতার দুজন প্রসিদ্ধ টীকাকারের নাম কি?  উ: মনুসংহিতার দুজন প্রসিদ্ধ টীকাকারের নাম- (ক) কুল্লুকভট্টের "মন্বর্থমুক্তাবলী" ও (খ) মেধাতিথির "মনুভাষ্য"। 4."তৌর্যত্রিক" শব্দের অর্থ কি?  উ: ."তৌর্যত্রিক" শব্দের অর্থ -নৃত্য, গীত ও বাদ্য।   5.কখন, কেন এবং কে রাজাকে সৃষ্টি করেছিলেন?  উ:যখন সমস্ত জগৎ শাসকশূন্য ও অরাজক হয়ে পরেছিল এবং বলবানের ভয়ে দুর্বলেরা চারিদিকে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পলায়ন করছিল,  তখন পরমেশ্বর  বিশ্বব্রহ্মাণ্ড কে রক্ষার জন্য রাজাকে সৃষ্টি করেছিলেন। 

সংস্কৃত থেকে বাংলায় কিছু বাক্য

      সংস্কৃত থেকে বাংলায় কিছু বাক্য। আমাদের অনেকের ই সংস্কৃত বিষয়টিকে নিয়ে কৌতুহলের অন্ত নেই। কেউ কেউ এই বিষয়টিকে পড়তে ও জানতে ইচ্ছে করে। কিন্তু এই বয়সে এসে সংস্কৃত বিষয়ের বর্ণমালা শেখা হয়ে ওঠেনা। তাই আমি এখানে সংস্কৃত বর্ণমালা, ব ই ইত্যাদি বাংলাতে অনুবাদ করে থাকি। এখানে আমি কিছু শিক্ষনীয় কিছু সংস্কৃত  কথা বলা বা লেখার প্রয়াস করছি। যদি কার ও কোনো কাজে আসে বা কেউ যদি এগুলি জানতে বা শিখতে পারে তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে ও আমি নিজেকে ধন্য মনে করব। তাহলে আসুন আমরা জেনে নিই সংস্কৃতের শিক্ষনীয় কিছু কথা -  1. परनिन्दा न कर्तब्या ( পরনিন্দা ন কর্তব্যা): পরের নিন্দা করতে নেই।  2. तमवाच्चं न व्रूहि (তমবাচ্চং ন ব্রূহি) : তাকে ‌‌‌কুকথা বোলো নাা। 3. एतदतीव सुलभम्  (এতদতীব সুলভম্) : এটি ভারী সস্তা । 4. समाश्वासिहि  (   সমাশ্বসিহি) : ঠাণ্ডা হ ও।  5. जातस्य   हि ध्रुवो मृत्युः ( জাতস্য হি ‌ধ্রুবো মৃত্যুঃ) : জন্মিলেই মরণ নিশ্চিত। 6. को अपि मृषाभाषिणं न विश्वसिति ( কো অপি মৃষাভাষিণং ন বিশ্বসিতি) : ‌মিথ্যাবাদীকে কেউ বিশ্বাস করে না।  7. स...