সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সংস্কৃত থেকে বাংলায় কিছু বাক্য

      সংস্কৃত থেকে বাংলায় কিছু বাক্য।


আমাদের অনেকের ই সংস্কৃত বিষয়টিকে নিয়ে কৌতুহলের অন্ত নেই। কেউ কেউ এই বিষয়টিকে পড়তে ও জানতে ইচ্ছে করে। কিন্তু এই বয়সে এসে সংস্কৃত বিষয়ের বর্ণমালা শেখা হয়ে ওঠেনা। তাই আমি এখানে সংস্কৃত বর্ণমালা, ব ই ইত্যাদি বাংলাতে অনুবাদ করে থাকি। এখানে আমি কিছু শিক্ষনীয় কিছু সংস্কৃত  কথা বলা বা লেখার প্রয়াস করছি। যদি কার ও কোনো কাজে আসে বা কেউ যদি এগুলি জানতে বা শিখতে পারে তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক হবে ও আমি নিজেকে ধন্য মনে করব। তাহলে আসুন আমরা জেনে নিই সংস্কৃতের শিক্ষনীয় কিছু কথা - 

1. परनिन्दा न कर्तब्या (পরনিন্দা ন কর্তব্যা): পরের নিন্দা করতে নেই। 

2.तमवाच्चं न व्रूहि (তমবাচ্চং ন ব্রূহি) : তাকে ‌‌‌কুকথা বোলো নাা।

3.एतदतीव सुलभम्  (এতদতীব সুলভম্) : এটি ভারী সস্তা ।

4. समाश्वासिहि (  সমাশ্বসিহি) : ঠাণ্ডা হ ও। 

5. जातस्य हि ध्रुवो मृत्युः ( জাতস্য হি ‌ধ্রুবো মৃত্যুঃ) : জন্মিলেই মরণ নিশ্চিত।

6.को अपि मृषाभाषिणं न विश्वसिति ( কো অপি মৃষাভাষিণং ন বিশ্বসিতি) : ‌মিথ্যাবাদীকে কেউ বিশ্বাস করে না। 

7. सा विद्या या विमुक्तये (সা বিদ্যা যা বিমুক্তয়ে ): বিদ্যা ‌সেই যা মুক্তি প্রদান ‌‌‌করে।

8. मनो मे संशयमेव गाहते ( মনো মে সংশয়মেব গাহতে  : আমার মনে সন্দেহ আছে

9. बलवती शिरोवेदना मां वाधते (বলবতী শিরোবেদনা মাং ‌বাধতে) : আমার ভীষণ মাথাব্যথা করছে। 

10. नायं समयः परिहासस्य ( নায়ং সময়ঃ পরিহাসস্যয):  এটি পরিহাসের সময় নয়। 

11. शरीरमाद्यं खलु धर्मसाधनम् ( শরীরমাদ্যং খলুু ধর্মমসাধনম্) : শরীরসাধনা আগে, পরে ধর্মসাধনা।

12. न मातुः पर दैबतम् ( ন মাতুঃ পর দৈবতম্) : মা থেকে বড় দেবতা নেই। 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

মনুসংহিতা সপ্তম অধ্যায়-বাংলা pdf / মনুস্মৃতি pdf

                                মনুসংহিতা                               সপ্তম অধ্যায়                            (রাজধর্ম ) রাজধর্মান্ প্রবক্ষ্যামি  যথাবৃত্তো ভবেন্নৃপঃ।  সম্ভবশ্চ যথা তস্য সিদ্ধিশ্চ পরমা যথা।। (1) বঙ্গানুবাদ- আমি তথা গ্রন্থকার এখন রাজধর্ম বর্ণনা করব- রাজা যেভাবে আচরণ করবেন, তাঁর উৎপত্তি যেভাবে হয়েছে এবং রাজকার্যে তাঁর উৎপত্তি সিদ্ধি যেভাবে হয় তাও বর্ণনা করব। ব্রাহ্মং প্রাপ্তেন সংস্কারং ক্ষত্রিয়েণ যথাবিধি।  সর্বস্যাস্য যথান্যায়ং কর্তব্যং পরিরক্ষণম্।।(2) বঙ্গানুবাদ- যথাবিধি উপনয়নরূপ বৈদিক সংস্কার প্রাপ্ত হয়ে রাজা ধর্মশাস্ত্রোক্ত নিয়ম অনুসারে সমস্ত প্রজাকে পরিপালন করবেন।  অরাজকে হি লোকে হ স্মিন্ সর্বতো বিদ্রুতে ভয়াৎ। রক্ষার্থমস্য সর্বস্য রাজানমসৃজৎ প্রভুঃ।।(3) বঙ্গানুবাদ-রাজশুন্য এই জগতে চারদিকে সকলে উৎপীড়িত হলে,  সমগ্র বিশ্বব্র...

মনুসংহিতার সপ্তমাধ্যায়ের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

1.মনুসংহিতা কি ধরনেের রচনা? উ: মনুসংহিতা স্মৃতিশাস্ত্র বা ধর্মশাস্ত্র।   2.মনুসংহিতার সপ্তমাধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কি?   উ: মনুসংহিতার  সপ্তমাধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়- রাজার রাজধর্ম তথা  "রাজধর্ম"। 3.  মনুসংহিতার দুজন প্রসিদ্ধ টীকাকারের নাম কি?  উ: মনুসংহিতার দুজন প্রসিদ্ধ টীকাকারের নাম- (ক) কুল্লুকভট্টের "মন্বর্থমুক্তাবলী" ও (খ) মেধাতিথির "মনুভাষ্য"। 4."তৌর্যত্রিক" শব্দের অর্থ কি?  উ: ."তৌর্যত্রিক" শব্দের অর্থ -নৃত্য, গীত ও বাদ্য।   5.কখন, কেন এবং কে রাজাকে সৃষ্টি করেছিলেন?  উ:যখন সমস্ত জগৎ শাসকশূন্য ও অরাজক হয়ে পরেছিল এবং বলবানের ভয়ে দুর্বলেরা চারিদিকে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পলায়ন করছিল,  তখন পরমেশ্বর  বিশ্বব্রহ্মাণ্ড কে রক্ষার জন্য রাজাকে সৃষ্টি করেছিলেন।